প্রকাশিত: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ০১:০০ পিএম
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে আরও প্রায় ৭ হাজার টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত জ্বালানি সংরক্ষণাগারে পৌঁছেছে। সোমবার সন্ধ্যায় জ্বালানি পরিবহন শুরু হওয়ার পর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে পুরো চালানটি পার্বতীপুরের গ্রহণকেন্দ্রে পৌঁছায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবারের চালানটি মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে আমদানি করা ডিজেলের ৬৮তম ধাপ। এতে মোট ৭ হাজার টন ডিজেল আনা হয়েছে, যা প্রায় ৮২ লাখ ৩৫ হাজার ২৯০ লিটারের সমপরিমাণ। প্রতি টন ডিজেলের পরিমাণ ১ হাজার ১৭৬ দশমিক ৪৭ লিটার হিসাবে হিসাব করা হয়েছে।
ভারত থেকে আমদানি করা এই জ্বালানি দেশের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি বিপণনকারী তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় সমহারে বিতরণ করা হয়। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েল। এর ফলে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে এই পাইপলাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের অংশে মৈত্রী পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য ১২৬ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার। এটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, সদর ও বোদা উপজেলা হয়ে নীলফামারী সদর এবং দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা অতিক্রম করে পার্বতীপুরের গ্রহণকেন্দ্রে গিয়ে শেষ হয়েছে। মাটির প্রায় ৫ থেকে ৮ ফুট গভীরে স্থাপন করা হয়েছে পাইপলাইনটি।
পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি ভারত থেকে পার্বতীপুরে ডিজেল পরিবহন করায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সময় ও পরিবহন ব্যয় দুটোই কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সড়ক ও রেলপথে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পরিবহনের ওপর নির্ভরতা কমছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা দ্রুত পূরণ এবং সরবরাহব্যবস্থা আরও নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এই পাইপলাইনকে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে দেখা হচ্ছে।



