প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ০২:১০ পিএম
মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সম্মিলিত অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাটি সামরিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসে বিরল পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাবি করেছে, ‘Operation Epic Fury’ নামে পরিচালিত এ অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কাঠামোর শীর্ষ নেতৃত্বকে নিষ্ক্রিয় করা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে খামেনেই ছাড়াও একাধিক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা ও সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। কিছু বিশ্লেষক একে “টার্গেটেড লিস্ট” বা পরিকল্পিত লক্ষ্যভিত্তিক হামলা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
ওয়াশিংটন ও তেল আবিব এই পদক্ষেপকে ইরানের হুমকি কমানো এবং নিজেদের নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর প্রতিক্রিয়া মিশ্র।
Russia ও China এ হত্যাকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইন ও সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও বিপন্ন করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে নেতৃত্ব পরিবর্তন শুধু ব্যক্তিগত ক্ষমতার রদবদল নয়; এটি নীতিগত, কূটনৈতিক ও সামরিক অবস্থানেরও বড় পরিবর্তন ডেকে আনতে পারে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে—পরবর্তী লক্ষ্য কারা এবং ইরানের ভেতরে ক্ষমতার ভারসাম্য কোন দিকে মোড় নেবে?
ইরানকে ঘিরে সৃষ্ট অস্থিরতা এখন আর কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যের প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ রাজনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি কোন পথে এগোবে, তা নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার ওপর।



