রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাদশাহর ব্যয়ে ওমরাহ, সুযোগ পাচ্ছেন ১০০০ মুসল্লি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০১:৩৩ পিএম

বাদশাহর ব্যয়ে ওমরাহ, সুযোগ পাচ্ছেন ১০০০ মুসল্লি

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য আবারও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের নির্দেশনায় এক হাজার নারী ও পুরুষকে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যয়ে ওমরাহ পালনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পবিত্র মক্কা ও মদিনা সফরের পাশাপাশি ধর্মীয় বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগও পাবেন নির্বাচিত অতিথিরা।

সৌদি সরকারের ইসলামবিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই কর্মসূচি ১৪৪৮ হিজরি বছরের বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী চারটি পর্যায়ে বিশ্বের নানা অঞ্চলের মুসলিম নাগরিকদের এ সুযোগ প্রদান করা হবে।

প্রথম পর্যায়ে এশিয়ার ১৬টি দেশের ২৫০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, লাওস, সিঙ্গাপুর, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং, তাইওয়ান, মঙ্গোলিয়া ও তিমুর-লেস্তে। নির্বাচিত ব্যক্তিরা সৌদি সরকারের অতিথি হিসেবে ওমরাহ পালন করবেন এবং ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থানসমূহ পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুসলিম উম্মাহর মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করাই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আলেম, গবেষক, সমাজনেতা ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রও তৈরি হবে।

সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী এ উদ্যোগকে মুসলিম বিশ্বের প্রতি সৌদি নেতৃত্বের আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, পবিত্র নগরীগুলোতে আগত মুসল্লিদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। এই বিশেষ আয়োজনও তারই ধারাবাহিক অংশ।

ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন উদ্যোগ শুধু ওমরাহ পালনের সুযোগই তৈরি করে না, বরং বৈশ্বিক মুসলিম সমাজের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও ঐক্যের বার্তাও ছড়িয়ে দেয়।

সৌদি সরকারের এই উদ্যোগকে বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধর্মীয় মূল্যবোধ, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং আন্তর্জাতিক মুসলিম সংযোগ জোরদারে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!