প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া দুটি ভিন্নধর্মী বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। প্রথমে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করলেও একদিনের ব্যবধানে তাদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানানোয় সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
কয়েক দিন আগে দেওয়া এক বার্তায় সালমান খান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা শিক্ষাব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি এবং উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার প্রত্যাশার প্রশংসা করেন। তার সেই বক্তব্য অনেকের কাছে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয় এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
তবে পরদিন প্রকাশিত আরেকটি বার্তায় অভিনেতা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তাদের শিক্ষা ও নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরে গিয়ে পরিবারের পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে নিজের বিশ্বাসের কথাও উল্লেখ করেন।
শুধু শিক্ষার্থীদেরই নয়, অনশনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের প্রতিও অনশন ভেঙে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানান সালমান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের প্রয়োজনে শক্তি সঞ্চয় করে রাখা উচিত এবং দীর্ঘ অনশন অব্যাহত না রাখাই ভালো।
সালমানের এই অবস্থান পরিবর্তনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেক ব্যবহারকারী প্রশ্ন তুলেছেন, কী কারণে এত অল্প সময়ের মধ্যে তার বক্তব্যের ধরনে পরিবর্তন এলো। কেউ কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বলে মনে করলেও অন্যরা বিভিন্ন ধরনের অনুমান প্রকাশ করেছেন। তবে এসব অনুমানের পক্ষে কোনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রকাশিত হয়নি।
এদিকে কয়েকজন পরিচিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীও এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তাদের বক্তব্য ঘিরেও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও সালমান খান এ পর্যন্ত নিজের অবস্থান পরিবর্তনের কারণ নিয়ে আলাদা কোনো ব্যাখ্যা দেননি।



