প্রকাশিত: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার আসন্ন যৌথ সামরিক মহড়ার তীব্র বিরোধিতা করেছে উত্তর কোরিয়া। একই সঙ্গে এই সামরিক তৎপরতার কারণে নিজেদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে দাবি করে এর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পিয়ংইয়ং। শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ অবস্থান জানানো হয়।
আগামী ১৭ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার নেতৃত্বে বড় পরিসরের সামরিক মহড়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে দুই দেশের পাশাপাশি জাতিসংঘ কমান্ডের সদস্য কয়েকটি দেশের কয়েক হাজার সেনা, সামরিক সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট কর্মী অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্রের দাবি, এবারের মহড়ায় শুধু স্থলভাগের প্রচলিত সামরিক অভিযান অনুশীলন করা হবে না। এর পাশাপাশি চালকবিহীন আকাশযান, তড়িৎ-তথ্য যুদ্ধ এবং সাইবার যুদ্ধের মতো আধুনিক যুদ্ধকৌশলও অনুশীলনের অংশ হতে পারে। এসব কার্যক্রমকে নিজেদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে পিয়ংইয়ং।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া বরাবরের মতোই মহড়াটিকে নিয়মিত ও প্রতিরক্ষামূলক সামরিক অনুশীলন হিসেবে বিবেচনা করছে। তবে উত্তর কোরিয়া এই ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করে এটিকে আগ্রাসী সামরিক প্রস্তুতি বলে অভিহিত করেছে।
পিয়ংইয়ংয়ের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কোরীয় উপদ্বীপ ও আশপাশের এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলের পরিবর্তন আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়া আরও জানায়, তাদের নিরাপত্তার জন্য নতুন ধরনের হুমকি তৈরি হলে তার মোকাবিলায় প্রতিরোধ সক্ষমতাও নতুন মাত্রায় উন্নীত করা হবে। ফলে আসন্ন সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে কোরীয় উপদ্বীপে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।



