রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গাজায় শান্তি ফেরাতে হামাসের সঙ্গে কুশনারের বৈঠক

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ০৯:৪২ এএম

গাজায় শান্তি ফেরাতে হামাসের সঙ্গে কুশনারের বৈঠক

ফাইল ছবি

গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নতুন করে এগিয়ে নিতে হামাসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার। মিসরের আল-আলামিনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা খলিল আল-হায়া এবং শান্তি উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত নিকোলাই ম্লাদেনভসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত নতুন শান্তি পরিকল্পনার অচলাবস্থা কাটিয়ে পরবর্তী ধাপের আলোচনা এগিয়ে নেওয়া। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, হামাসের অস্ত্র ত্যাগ, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং পরবর্তী সময়ে বেসামরিক ফিলিস্তিনি প্রশাসনের মাধ্যমে উপত্যকা পরিচালনার মতো বিষয় রয়েছে।

আলোচনার পর কুশনারের ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। তবে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসরায়েলের অবস্থান। নেতানিয়াহু হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী গাজা থেকে সরে যাবে না বলে অবস্থান জানিয়েছেন। অন্যদিকে হামাসও ইসরায়েলি হামলা বন্ধ ও সেনা প্রত্যাহারের মতো বিষয়কে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে দেখছে।

এদিকে ইসরায়েলের আপত্তির কঠোর সমালোচনা করেছে আটটি দেশ—মিসর, জর্ডান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়া। দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছেন, শান্তি উদ্যোগ আটকে গেলে গাজায় স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

ফলে কুশনারের এই বৈঠককে গাজা সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের পথে নতুন করে আলোচনা শুরুর গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং গাজার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে মতপার্থক্য দূর করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!