প্রকাশিত: মার্চ ২০, ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের ধাক্কায় বুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে যাওয়া মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ৪৯ ঘণ্টা পর। শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় কেরানীগঞ্জ লবণের মিলের বুড়িগঙ্গা নদীর অংশ থেকে বরিশালের নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
ঢাকার পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ বর্তমানে মিডফোর্ট হাসপাতালে রাখা হয়েছে। নিহত মিরাজ ফকিরের ছেলে সোহেল ফকির (২২) মারা গেছেন, এবং তার স্ত্রী রুবা ফকির (২০) গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মিরাজ ফকিরের বড় ভাই সিরাজ ফকির বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুই লঞ্চের স্টাফ ও পরিচালকেরা রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ঢাকা-ইলিশা রুটের ‘আসা যাওয়া-৫’ লঞ্চে যাত্রী তুলতে গিয়ে পাশের ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ লঞ্চ ধাক্কা দেয়। ধাক্কার ফলে রুবা ফকির পানিতে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন আহত হন।
নৌ-পুলিশ জানায়, বরিশালের কাশিপুর যাওয়ার জন্য লঞ্চে উঠার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, এবং আশপাশের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।



