প্রকাশিত: মে ২৯, ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানী ঢাকা ছাড়ছেন অসংখ্য মানুষ। কাজের ব্যস্ততা, ছুটির সীমাবদ্ধতা কিংবা বিভিন্ন কারণে যারা ঈদের আগেই গ্রামের বাড়িতে ফিরতে পারেননি, তারা এখন পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ির পথে যাত্রা করছেন। শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল, কাউন্টার ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বাড়িমুখো মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়েছে।
রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ ও আবদুল্লাহপুরসহ বিভিন্ন যাত্রী পরিবহন কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়। অনেকেই আগেভাগে কাউন্টারে এসে অপেক্ষা করছেন নির্ধারিত সময়ের বাসের জন্য। কেউ কেউ আবার সরাসরি সড়কের মোড় থেকে নিজ নিজ গন্তব্যের যানবাহনে উঠছেন। বিশেষ করে যেসব যাত্রী ঈদের প্রথম দিন রাজধানীতে আত্মীয়স্বজন বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন, তাদের একটি বড় অংশ ঈদের দ্বিতীয় দিনে গ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের দিন পার হওয়ার পর রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কমে যাওয়ায় এবার ভ্রমণ কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে। দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তি ছাড়াই গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে— এমন প্রত্যাশা নিয়েই অনেকেই যাত্রা করছেন। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলমুখী মহাসড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকায় যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি দেখা গেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টারে অপেক্ষমাণ কয়েকজন যাত্রী জানান, চাকরি কিংবা ব্যবসায়িক ব্যস্ততার কারণে ঈদের আগে ছুটি মেলেনি। তাই ঈদের দ্বিতীয় দিনেই পরিবার ও স্বজনদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন তারা। কেউ আবার জানান, রাজধানীতে ঈদের প্রথম দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এখন আত্মীয়দের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে, নির্ধারিত টার্মিনালের বাইরে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও মোড় থেকেও যাত্রী ওঠানামার দৃশ্য দেখা গেছে। অনেক পরিবহন যাত্রীদের সুবিধার্থে বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে যাত্রী তুলছে। এতে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর সুযোগ পাচ্ছেন যাত্রীরা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এবার ঈদযাত্রায় আগের তুলনায় চাপ কিছুটা কম থাকলেও দ্বিতীয় দিনেও বাড়িমুখো মানুষের প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে যাদের ছুটি সীমিত, তারা কম সময়ের মধ্যেই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে গ্রামের পথে রওনা হয়েছেন।
ঈদের আনন্দকে পূর্ণতা দিতে রাজধানী ছাড়ার এই ব্যস্ততা আরও একদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সড়কে যানজট কম থাকায় স্বস্তির যাত্রা উপভোগ করছেন বেশিরভাগ মানুষ।



