রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

তিন দিনে ৩২ হাজার টনের বেশি বর্জ্য অপসারণ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২৬, ১১:৪০ এএম

তিন দিনে ৩২ হাজার টনের বেশি বর্জ্য অপসারণ

প্রতীকী ছবি

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ঈদের দিন থেকে তৃতীয় দিন পর্যন্ত মোট ৩২ হাজার ৬৬২ টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য সরিয়ে নেওয়ার ফলে নগরবাসী তুলনামূলক স্বস্তিতে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর দক্ষিণ অংশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নির্ধারিত স্থানে ফেলা হয়েছে। নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী, ঈদের দিন রাত পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি পরিমাণ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। ওইদিন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ১৪ হাজার ৮১৪ টন কোরবানির বর্জ্য চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত বর্জ্য ফেলার স্থানে নেওয়া হয়। এরপর ঈদের পরদিন রাত পর্যন্ত আরও ৮ হাজার ৯৭৭ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ঈদের তৃতীয় দিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আরও ৮ হাজার ৮৭১ টন বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়। সব মিলিয়ে তিন দিনে মোট ৩২ হাজার ৬৬২ টন কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ পশু কোরবানি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বর্জ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তবে দ্রুত অপসারণ কার্যক্রমের কারণে দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলেও জানা গেছে।

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, কোরবানির সময় দ্রুত বর্জ্য অপসারণ শুধু পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করে না, বরং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দীর্ঘ সময় বর্জ্য পড়ে থাকলে দুর্গন্ধ, জীবাণুর বিস্তার এবং পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা বাড়ে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়াকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে জানিয়েছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার তুলনামূলক দ্রুত সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। ফলে আবাসিক এলাকায় দীর্ঘ সময় দুর্গন্ধ বা অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়নি।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদের পরবর্তী সময়েও নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে বিশেষ নজরদারি অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!