প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম
পঞ্চগড়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা কাজী মৌসুমী এবং জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
সোমবার পঞ্চগড় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের পর তারা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক মাহবুব আলী মুয়াদ আবেদনটি খারিজ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে কেক কাটা, দলীয় স্লোগান দেওয়া এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে এই মামলা করা হয়েছে। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান মুক্তাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক মেজর কাজী মৌসুমীসহ মোট ১১০ থেকে ১২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং পর্যাপ্ত ভিত্তি ছাড়াই তাদের মক্কেলদের এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, আদালতের আদেশের প্রতি সম্মান রেখে আইনি প্রক্রিয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম গোপনে পরিচালনা এবং জনমনে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগের বিষয়গুলো আদালতের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করেই আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে মামলাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



