প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধারের পর থানার সামনে থেকে পুনরায় অপহরণের চেষ্টাকালে ছয়জনকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী ছাত্রী নড়িয়া উপজেলার ডা. খন্দকার কে. এ. জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। জানা যায়, গত ২ জুলাই দুপুরে স্কুলে যাওয়ার পথে সাহিদুল ইসলাম রাড়ী ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা ছাত্তার চৌকিদার নড়িয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করে এবং তার বাবা-মায়ের জিম্মায় হস্তান্তর করে। তবে থানা থেকে পরিবারের সঙ্গে বের হওয়ার সময় থানার গেটসংলগ্ন এলাকায় পুনরায় তাকে অপহরণের চেষ্টা চালায় অভিযুক্তরা। এ সময় পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় ছাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকেই ছয়জনকে আটক করা হয়।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, “উদ্ধারকৃত ছাত্রীকে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার পর আসামিরা পুনরায় তাকে অপহরণের চেষ্টা করে। আমাদের পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থাকায় ছাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে এবং ছয়জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও দ্রুত বিচার আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন— সাহিদুল ইসলাম রাড়ী (১৯), তানভীর সরদার (২৯), সাব্বির মুন্সী (১৮), রাকিব হাওলাদার (১৬), সিফাত মৃধা (২০) ও সিয়াম খাঁন (২৪)। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।



