প্রকাশিত: জুলাই ৩১, ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
ঢাকার ধামরাই উপজেলায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্পের অব্যবহৃত এক কোটি টাকারও বেশি অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে খাল পুনঃখননের ফলে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ধামরাই সদর ইউনিয়নের ইকুরিয়া খাল এবং কুল্লা ইউনিয়নের বাড়িগাঁও খাল পুনঃখননের জন্য মোট চার দশমিক এক ছয় শূন্য কিলোমিটার এলাকায় কাজ পরিচালনা করা হয়। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট দুই কোটি আট লাখ চুরানব্বই হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত কাজ শেষ হওয়ার পর ব্যয় সাশ্রয়ের মাধ্যমে প্রায় এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা অব্যবহৃত থেকে যায়। পরবর্তীতে ওই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন জানান, প্রকল্পের সকল কাজ নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর পর যে অর্থ অবশিষ্ট ছিল, তা সরকারি বিধি অনুসরণ করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের মতে, খাল পুনঃখননের ফলে কৃষিজমিতে সেচ কার্যক্রম আরও সহজ হবে। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের সক্ষমতা বাড়বে এবং জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি এলাকার কৃষকদের আর্থিকভাবে উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা–২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন বলেন, কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে খাল খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য এলাকার মতো ধামরাইয়ের কৃষকরাও দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য সুফল পাবেন।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচ ও পানি নিষ্কাশনে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। পুনঃখননের মাধ্যমে সেই সমস্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন আরও গতিশীল হবে বলে তারা আশাবাদী।



