রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঢাকা কলেজে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার পোস্টার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম

ঢাকা কলেজে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার পোস্টার

সংগৃহীত

রাজধানীর ঢাকা কলেজে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে পোস্টার লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। পোস্টার লাগানোর পর সেটিকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন ছাত্রসংগঠনের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সামনে আসে। পরে কলেজ প্রশাসনের উদ্যোগে ক্যাম্পাস থেকে পোস্টারগুলো সরিয়ে ফেলা হয়।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে ঢাকা কলেজের প্রশাসনিক ভবন, প্রধান ফটকসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার লাগানো হয়। পোস্টারগুলোতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ঢাকা কলেজে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি দ্রুত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।

পোস্টার লাগানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্রদলের এক নেতা দাবি করেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্য বিভ্রান্তিকর এবং রাজনৈতিকভাবে উসকানিমূলক। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব বক্তব্য সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে। এ কারণেই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে পোস্টারিং কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

অন্যদিকে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা কলেজ শাখার এক নেতা এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী এবং অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। তার দাবি, যারা এ কর্মসূচি পরিচালনা করেছেন, তারা প্রকৃত রাজনৈতিক চেতনার প্রতিনিধিত্ব করেন না।

ঘটনার পর কলেজ প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং দুপুরের মধ্যেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান থেকে পোস্টার অপসারণের ব্যবস্থা নেয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষাঙ্গনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও নানা ধরনের আলোচনা দেখা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। অন্যথায় শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, যেকোনো মতবিরোধ গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান হওয়াই কাম্য। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!