প্রকাশিত: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১০:১৩ পিএম
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার পৌর এলাকার পাকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের দেয়াল ও ছাদের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, ১৯৮৯ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৯৫ সালে বিদ্যালয়ের বর্তমান ভবন নির্মাণ করা হয়। প্রায় ৩০ বছর পুরোনো ভবনটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। ছাদ ও দেয়ালের অংশ খসে পড়ে যাচ্ছে। কয়েকবার ভবনের অংশ ভেঙে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
জরাজীর্ণ ভবনের কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, তারা ভয় নিয়ে শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করে। কখন ছাদ বা দেয়ালের কোনো অংশ ভেঙে মাথার ওপর পড়ে, সেই আশঙ্কা তাদের মধ্যে রয়েছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের মধ্যেই বাধ্য হয়ে পাঠদান করতে হচ্ছে। পরিস্থিতি খারাপ হলে কখনো কখনো বিদ্যালয়ের মাঠেও ক্লাস নিতে হয়। যেকোনো সময় ভবনের ছাদ বা দেয়ালের অংশ ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ইতিমধ্যেই উপজেলার ৪৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জরাজীর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ওই তালিকায় পাকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও রয়েছে।
তিনি জানান, জরাজীর্ণ বিদ্যালয়গুলোর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর দাবি, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত পাকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনটি অপসারণ করে সেখানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হোক। তাদের আশঙ্কা, দুর্ঘটনা ঘটার আগে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।



