প্রকাশিত: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার বাশকাইল তালুকদারপাড়া এলাকায় আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে লবণের মধ্যে অচেতনকারী বা ঘুমের ওষুধজাতীয় পদার্থ মিশিয়ে দুর্ধর্ষ চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিবারের সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে চারজনকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। বাকি তিনজনকে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে বিকেলের দিকে তারা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, ২৩ আগস্ট দিনের কোনো এক সময়ে লবণের মধ্যে অচেতনকারী বা ঘুমের ওষুধজাতীয় পদার্থ মেশানো হয়ে থাকতে পারে। ওই লবণ দিয়ে খাবার খাওয়ার পর পরিবারের সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে লবণে আসলেই কোনো অচেতনকারী পদার্থ মেশানো হয়েছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এরপর ২৪ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার দিকে ওই বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। ওই রাতে বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন শাওন চৌধুরী, হামিদা, অনামিকা, আয়েশা ও অরণ্য। এছাড়া হামিদার চার মাস বয়সী ছোট মেয়েটিও ওই বাড়িতে ছিল।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, রাতের কোনো এক সময়ে চোরেরা ঘরে প্রবেশ করে বিভিন্ন মালামাল চুরি করছিল। একপর্যায়ে গলার চেইনে টান দেওয়ার সময় তাদের ঘুম ভেঙে যায়। চোরের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে ডাকেন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চোরেরা প্রায় দুই ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৫৭ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন, জমির দলিল, ব্ল্যাংক চেকসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন জানান, চুরির ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ অবগত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। লবণে অচেতনকারী পদার্থ মেশানো হয়েছিল কি না এবং চুরির সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।



