রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ক্লাস চলাকালে দুই শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

রাহাত শরীফ (টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি)  

প্রকাশিত: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম

ক্লাস চলাকালে দুই শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

ছবি: প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে নবম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষের ভেতর মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিদ্যালয়ের গণিত ক্লাস চলাকালে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জালাল উদ্দিন (৫২), জালালের ছেলে রিফাত, তামিম, খোকন, জনী শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করে বিদ্যালয়ের গণিত ক্লাস চলাকালীন সময় শ্রেণি শিক্ষক জহুরুল ইসলাম সিদ্দিকীর উপসি্থতিতে নবম শ্রেণির ছাত্র রাকিবের উপর অর্তকিত হামলা চালায়। এসময় নবম শ্রেণির আরেক ছাত্র জাহিদ এগিয়ে আসলে তার উপরও হামলা করে অভিযুক্তরা। অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।


ঘটনার পর দুই শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়। পরে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় বলে দাবি করেছেন তারা। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, “আমার সন্তানকে ক্লাসের মধ্যে মারধর করা হয়েছে বলে সে আমাদের জানিয়েছে। বিদ্যালয়ে পড়াশোনার পরিবেশে একজন শিক্ষার্থী যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের।”


অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলাকালীন সময় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে আঘাত করা গ্রহণযোগ্য নয়। শ্রেণিকক্ষের মতো জায়গায় এমন ঘটনা ঘটলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হতে পারে বলেও তারা মনে করছেন।


স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক বলেন, কোনো শিক্ষার্থী ভুল করলে বিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি সমাধান করা উচিত। শারীরিকভাবে মারধর না করে কাউন্সেলিং, অভিভাবককে অবহিত করা কিংবা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম রেজা মোবাইল ফোনে বলেন, “আমি ছুটিতে আছি, মোবাইলে গটনার বিস্তারিত শুনেছি।”


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, “এই বিষয় নিস্পত্তির জন্য বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির সাথে আলোচনা করে সকল শিক্ষককে থানায় উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে।”

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!