প্রকাশিত: আগস্ট ৭, ২০২৬, ০৯:২৯ এএম
দক্ষিণ লেবাননকে লক্ষ্য করে একদিনে ১১৩টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে এটি সীমান্ত এলাকায় সবচেয়ে বড় মাত্রার হামলাগুলোর একটি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
বুধবার সংঘটিত এই হামলার বিষয়ে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন জানায়, গত ২১ জুনের পর একদিনে এত বেশি আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা আর ঘটেনি। এর আগে দুই পক্ষের মধ্যে কার্যকর হওয়া সীমিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিথিল হওয়ার পর এবারই সবচেয়ে বড় সামরিক তৎপরতা দেখা গেল। ফলে সীমান্তজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই হামলা কেবল সীমান্ত পরিস্থিতিকেই অস্থিতিশীল করেনি, বরং পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিবেশের ওপরও নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের তেল আবিবের কাছে অবস্থিত বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী কয়েকটি সামরিক বিমান অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে। ইসরায়েলি বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ব্যস্ত ভ্রমণ মৌসুমে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, ইরানকে কেন্দ্র করে সামরিক উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকেই এসব বিমান ওই বিমানবন্দরে অবস্থান করছিল। তবে কতটি বিমান স্থানান্তর করা হয়েছে কিংবা কোথায় নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান এবং একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে আন্তর্জাতিক মহলের কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।



