প্রকাশিত: আগস্ট ২০, ২০২৬, ০৯:২১ এএম
কেনিয়ায় একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইকুয়েডরের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান মিশেল সেনসি-কন্টুগি, তার স্ত্রী স্টেফানি হলিহানসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন মার্কিন নাগরিকও রয়েছেন। বুধবার স্থানীয় সময় সকালে দেশটির সাম্বুরু কাউন্টিতে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, হেলিকপ্টারটি লইসাবা এলাকার একটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অঞ্চল থেকে এওয়াসো নিয়রো নদীর দিকে পর্যটন ভ্রমণে যাচ্ছিল। যাত্রাপথে মাউন্ট ওলোলোকওয়ের বনাঞ্চলের কাছে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। পরে ঘটনাস্থলে এর ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা যায়। দুর্ঘটনার পর সেখানে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায় এবং উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তৎপরতা শুরু করে।
নিহত মিশেল সেনসি-কন্টুগির বয়স ছিল ৪৪ বছর। ২০২৪ সালে তিনি ইকুয়েডরের কৌশলগত গোয়েন্দা কেন্দ্রের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান। তার আকস্মিক মৃত্যুতে ইকুয়েডর সরকারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট গুইলেরমো লাসোও তার মৃত্যুর ঘটনায় শোক জানিয়েছেন।
দুর্ঘটনাকবলিত হেলিকপ্টারটি কেনিয়ার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছিল। নিহতদের মধ্যে থাকা মার্কিন নাগরিকদের কয়েকজনের পরিচয় জানা গেলেও বাকিদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, নিহতদের সবাই পর্যটক ও পাইলট ছিলেন। তবে পরে নিহতদের পরিচয় ও ভ্রমণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।
কেনিয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ফলে সর্বশেষ এই দুর্ঘটনাও দেশটির বিমান নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।



