রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নামাজের সুযোগ নিয়ে পালানো আসামি, দুই দিন পরই গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম

নামাজের সুযোগ নিয়ে পালানো  আসামি, দুই দিন পরই গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামি পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই পুনরায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। বুধবার সকালে রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন-সংক্রান্ত আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। পরোয়ানার ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্প্রতি রাজধানীর একটি ভ্রমণ ও জনশক্তি-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

আটকের পর আসরের নামাজ আদায়ের অনুমতি চাইলে মানবিক বিবেচনায় পুলিশ তাকে সেই সুযোগ দেয়। অভিযোগ রয়েছে, নামাজের জামাতে তিনি নিজেই ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নামাজ চলাকালে একপর্যায়ে তিনি হঠাৎ স্থান ত্যাগ করে দ্রুত সরে যান। এতে উপস্থিত সদস্যরা কিছু সময়ের জন্য বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন এবং সেই সুযোগে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে পুনরায় আটকের জন্য বিশেষ অভিযান শুরু করে। বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালানোর পর বুধবার সকালে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর মাদারটেক এলাকার নন্দীপাড়ায় অবস্থিত নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশগামী কর্মী পাঠানোর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অতীতে তার বিরুদ্ধে মানবপাচার ও প্রতারণা-সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগও উঠেছিল বলে জানা গেছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বিভিন্ন আলোচনা রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহলের দাবি, বর্তমানে তিনি কোনো সাংগঠনিক দায়িত্বে নেই এবং দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রাজনৈতিক কার্যক্রমের বাইরে রয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। একই সঙ্গে মামলার অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। হেফাজত থেকে পালানোর ঘটনাটিও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!