প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন নারী এবং তিনজন পুরুষ রয়েছেন। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
শুক্রবার দিবাগত রাতের দিকে উপজেলার কচুয়া হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহসান হাবিব লায়ন, এক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং তিনজন নারী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের মালিকানাধীন একটি বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহজনক কার্যকলাপ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন নারী ওই বাড়িতে প্রবেশ করলে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ আরও বাড়ে। পরে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বাড়িটি ঘিরে রাখেন।
একপর্যায়ে স্থানীয়রা বাড়ির একটি কক্ষে কয়েকজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখেছেন বলে দাবি করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছয়জনকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। তবে এবার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসায় তারা সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিন নারী ও তিন পুরুষকে নিরাপদে থানায় আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বা নির্দোষ বলা সমীচীন নয়। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



