রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সিলেট-সুনামগঞ্জে বাড়ছে বন্যার শঙ্কা, ঝুঁকিতে সিলেটের নিম্নাঞ্চল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ১১:৫১ এএম

সিলেট-সুনামগঞ্জে বাড়ছে বন্যার শঙ্কা, ঝুঁকিতে সিলেটের নিম্নাঞ্চল

ফাইল ছবি

নিম্নচাপের প্রভাব ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর সঙ্গে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল যুক্ত হওয়ায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারী বর্ষণ ও উজানের পানির চাপের কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরই মধ্যে খোয়াই, মনু ও কুশিয়ারা নদীর কয়েকটি অংশে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। সুনামগঞ্জের মারকুলি এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকায় কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী এক দিনে সুরমা, কুশিয়ারা ও মনু নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদী তীরবর্তী এবং নিম্নাঞ্চলের মানুষ নতুন করে বন্যার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। বিশেষ করে যেসব এলাকায় নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, সেসব অঞ্চলে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী, যাদুকাটা এবং ভুগাই-কংস নদীর পানিও কয়েকটি স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে। এসব নদীর আশপাশের এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক প্লাবনের ঝুঁকি বাড়ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের কয়েকটি জেলা বন্যার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে আকস্মিক বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি সিলেট ও সুনামগঞ্জকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আরও বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে। বন্যাপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!