রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিতর্কিত ছবি নিয়ে বেরোবিতে সংঘর্ষ, বাড়ানো হলো নিরাপত্তা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৪, ২০২৬, ০৮:৪৮ এএম

বিতর্কিত ছবি নিয়ে বেরোবিতে সংঘর্ষ, বাড়ানো হলো নিরাপত্তা

সংগৃহীত

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন।

সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার পাশাপাশি কয়েকজন ব্যক্তির ছবি প্রদর্শন করা হলে তা নিয়ে আপত্তি জানায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি ছিল, প্রদর্শনীতে থাকা কয়েকটি ছবি অবিলম্বে সরিয়ে নিতে হবে। তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একপর্যায়ে দুই পক্ষ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। পরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে উভয় সংগঠনের নেতাকর্মী রয়েছেন বলে জানা গেলেও তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার পর সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করে। রাত পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থান বজায় রাখা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জানান, একটি প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসন বলেছে, ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কারা এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!