রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোজতবা খামেনি কোমায়, দাবি ব্রিটিশ গণমাধ্যমের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ১১:৫০ পিএম

মোজতবা খামেনি কোমায়, দাবি ব্রিটিশ গণমাধ্যমের

ফাইল ছবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হয়ে কোমায় আছেন বলে দাবি করেছে একটি ব্রিটিশ গণমাধ্যম। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন এবং তার শরীরের একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। পাশাপাশি তার পেট বা যকৃতেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে ঠিক কখন তিনি আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যে দিন নিহত হন—গত ২৮ ফেব্রুয়ারি—সেদিনই তিনি আহত হয়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে একটি যৌথ সামরিক অভিযান চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ওইদিনের এক হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়। এরপর প্রায় নয় দিন পর, ৮ মার্চ তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

গোপন একটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনিকে বর্তমানে তেহরানের একটি ঐতিহাসিক এলাকায় অবস্থিত একটি বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত অংশে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের ওই অংশে সাধারণ রোগী কিংবা কর্মীদের প্রবেশ কঠোরভাবে সীমিত করা হয়েছে।

তার চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন ইরানের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা জাফরগজানি। তিনি একজন অভিজ্ঞ শল্যচিকিৎসক এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় দীর্ঘদিন যুদ্ধক্ষেত্রে চিকিৎসা সেবার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ওই যুদ্ধে তিনি নিজেও রাসায়নিক অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছিলেন।

এছাড়া চিকিৎসা সহায়তায় রয়েছেন একটি চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শল্যচিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ মারাশি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তাকে “রমজানের যোদ্ধা” বা “যুদ্ধে আহত প্রবীণ” হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এভাবে উল্লেখ করার মধ্য দিয়ে তার আহত হওয়ার বিষয়টি পরোক্ষভাবে স্বীকার করা হয়েছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!