রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

খামেনিসহ ইরানি নেতাদের ধরতে বড় পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম

খামেনিসহ ইরানি নেতাদের ধরতে  বড় পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ফাইল ছবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিসহ দেশটির কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তার সম্পর্কে তথ্য দিলে ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার তথ্যের জন্য এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর গঠিত এই সামরিক বাহিনী ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতি অনুগত এবং শিয়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার পর সম্প্রতি মোজতবা খামেনি তার বাবা আলী খামেনির স্থলাভিষিক্ত হয়ে নতুন সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে এখনো জনসমক্ষে দেখা যায়নি। যদিও বৃহস্পতিবার তিনি তার প্রথম বিবৃতি প্রকাশ করেন। ধারণা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারির হামলায় তিনিও আহত হয়েছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি, গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি এবং খামেনির দপ্তরের আরও কয়েকজন কর্মকর্তার সম্পর্কেও তথ্য চেয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তেহরানের এক সমাবেশে লারিজানিকে দেশটির রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, ইরানের শীর্ষ নেতারা বর্তমানে গোপন স্থানে অবস্থান করছেন।

এছাড়া প্রকাশিত তালিকায় বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একাধিক কমান্ডার এবং প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিবের নাম থাকলেও তাদের বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব কর্মকর্তা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা, সংগঠন ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত।

অন্যদিকে ইরান এসব অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। ইরানের কর্মকর্তারা বরাবরই যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদের অভিযোগকে ভিত্তিহীন রাজনৈতিক আক্রমণ বলে উল্লেখ করেন। তাদের মতে, ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপের যৌক্তিকতা তৈরি করতেই এমন অভিযোগ আনা হয়।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!