প্রকাশিত: মার্চ ২৬, ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে রাশিয়া ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরাসরি সহায়তা প্রদান শুরু করেছে। এতে ড্রোন, খাদ্য ও জরুরি ওষুধ সরবরাহের মাধ্যমে তেহরানকে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে।
পশ্চিমা গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাস থেকেই মস্কো ইরানকে ড্রোন সরবরাহ শুরু করেছে। এ মাসের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমিকভাবে সরঞ্জাম পৌঁছানো সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি রাশিয়ার প্রথম মারণাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের চালান। এর আগে ক্রেমলিন ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য ও উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে সহায়তা করে আসছিল।
নকশা অনুযায়ী সরবরাহকৃত ড্রোনগুলো মূলত ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তেহরানের অবস্থান দৃঢ় রাখতে ব্যবহৃত হবে। এছাড়াও, রাশিয়া মানবিক সংকট মোকাবিলার জন্য খাদ্য ও জরুরি ওষুধও সরবরাহ করছে।
গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, কাস্পিয়ান সাগরের রুটটি রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে অস্ত্র ও সরঞ্জাম স্থানান্তরের প্রধান মাধ্যম। সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল এই সরবরাহ ব্যাহত করা। রাশিয়ার এই সহায়তা ইরানকে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে টিকে থাকতে সাহায্য করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সমীকরণ পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করছে।
সাম্প্রতিক এই সহযোগিতা পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরানের ড্রোন ব্যবহারের অভিযোগের পর রাশিয়ার এই পদক্ষেপকে ‘পাল্টা বিনিময়’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



