রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

খামেনির কফিনের সঙ্গে রাখা ছোট কফিনটি কার?

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২৬, ০৮:৫১ এএম

খামেনির কফিনের সঙ্গে রাখা ছোট কফিনটি কার?

ফাইল ছবি

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। রাজধানীর গ্র্যান্ড মুসল্লাহ প্রাঙ্গণে তাঁর মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও আমন্ত্রিত অতিথিরা একে একে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

শোকানুষ্ঠানে খামেনির মরদেহের পাশাপাশি তাঁর পরিবারের আরও চার সদস্যের কফিনও রাখা হয়েছে। সব কফিনই জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত। উপস্থিত মানুষের মধ্যে এ দৃশ্য গভীর আবেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে একটি শিশুর কফিন সেখানে রাখা হয়েছে, যা শোকাহত মানুষের অনুভূতিকে আরও ভারাক্রান্ত করে তুলেছে।

জানা গেছে, সাম্প্রতিক হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সঙ্গে তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যও নিহত হন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর মেয়ের জামাতা মেসবাহ উল হুদা বাঘেরি, জ্যেষ্ঠ কন্যা সৈয়দা বুশরা হোসেইনি খামেনি, বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির স্ত্রী জাহরা হাদ্দাদ আদেল এবং মাত্র চৌদ্দ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানি।

ইরানের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, সবচেয়ে ছোট কফিনটিতে রাখা হয়েছে শিশু জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির মরদেহ। শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অনেকেই শিশুটির মৃত্যুতে গভীর বেদনা প্রকাশ করেছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিদেশি প্রতিনিধিরাও নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শোকানুষ্ঠান ঘিরে বিপুলসংখ্যক মানুষ গ্র্যান্ড মুসল্লাহ এলাকায় সমবেত হচ্ছেন। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি নিহতদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও শোকসভাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা কয়েক ধাপে সম্পন্ন হবে। দেশ-বিদেশ থেকে আগত অতিথিদের অংশগ্রহণে শোকানুষ্ঠানকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিহতদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করা হচ্ছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!