রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় সেনা মোতায়েন বহাল রাখার ঘোষণা ইসরায়েলের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় সেনা মোতায়েন বহাল রাখার ঘোষণা ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার মধ্যে গাজা, সিরিয়া ও লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন নিরাপত্তা বলয় থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যুক্তিতে এসব এলাকায় সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখা হবে।

সাম্প্রতিক এক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের অবস্থান সম্পর্কে অবহিত করে। সেখানে জানানো হয়, সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার জন্য সেনা মোতায়েন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। তাদের দাবি, এই উপস্থিতি দেশের নিরাপত্তা এবং সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য।

এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কয়েকটি কূটনৈতিক সূত্রের মতে, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে সিরিয়ার অভ্যন্তরে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে নিরাপত্তা বলয় তৈরির দাবি নিয়েও আলোচনা চলছে। একই সময়ে লেবাননের সীমান্ত এলাকাতেও ইসরায়েলি বাহিনীর অবস্থান অব্যাহত রয়েছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।

অন্যদিকে, গাজা উপত্যকার বিস্তীর্ণ অংশ বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সীমান্তসংলগ্ন এলাকাগুলোতেও তাদের উপস্থিতি বজায় আছে। এ পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং বিভিন্ন পক্ষ শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও সেনা প্রত্যাহার না করার ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা উত্তেজনা প্রশমনে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করবে কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে বিশ্ববাসীর।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!