প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৯:২৭ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন এক দাবি সামনে এসেছে। উপসাগরীয় দুই দেশ বাহরাইন ও কুয়েত চলতি মাসের শুরুতে ইরানের ভেতরে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো দেশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করা হয়নি।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অভিযানে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণে ব্যবহৃত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ একাধিক সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। যদি এ তথ্য সত্য হয়, তবে এটি ইরানের বিরুদ্ধে বাহরাইন ও কুয়েতের প্রথম প্রত্যক্ষ সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এছাড়া অভিযানে সংযুক্ত আরব আমিরাত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং আকাশ প্রতিরক্ষা সহায়তা দিয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সমন্বয় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নিরাপত্তা জোটের ইঙ্গিত বহন করতে পারে এবং আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বাহরাইন ও কুয়েতের নামও উঠে এসেছে। দেশ দুটিতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সামরিক স্থাপনা থাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। এমন প্রেক্ষাপটে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা আরও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে। এর ফলে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং সম্ভাব্য সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
যদিও বাহরাইন ও কুয়েতের বিরুদ্ধে ওঠা হামলার অভিযোগ এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি, তবুও ঘটনাটি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হলে এটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আনুষ্ঠানিক অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের।



