রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলার শপথ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৮, ২০২৬, ০৯:০৭ এএম

কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলার শপথ

সংগৃহীত

কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। রাজধানী বোগোতার পরিবর্তে কালিতে শপথ গ্রহণের আয়োজন তার সরকারের অপরাধ ও সশস্ত্র গোষ্ঠীবিরোধী কঠোর অবস্থানের একটি প্রতীকী বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর দেওয়া প্রথম বক্তব্যে দে লা এসপ্রিয়েলা দেশের নিরাপত্তা জোরদার, মাদক পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন এবং সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো অস্ত্র সমর্পণ না করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

গত ২১ জুন অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় দে লা এসপ্রিয়েলা ৪৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ইভান সেপেদা পান ৪৮ দশমিক ৭০ শতাংশ ভোট। অর্থাৎ এক শতাংশেরও কম ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন দে লা এসপ্রিয়েলা। পরে দেশটির নির্বাচন কর্তৃপক্ষ ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করে তাকে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করে।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় থেকেই অপরাধ, মাদক পাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলে আসছিলেন নতুন প্রেসিডেন্ট। তার পরিকল্পনার মধ্যে বড় আকারের কারাগার নির্মাণ, মাদক পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান এবং অস্ত্রধারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয় রয়েছে। একই সঙ্গে আগের সরকারের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে শান্তি আলোচনার নীতিতেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

দে লা এসপ্রিয়েলার ক্ষমতায় আসাকে কলম্বিয়ার রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর বামঘেঁষা সরকারের পর এবার ডানপন্থী রাজনৈতিক নেতৃত্ব ক্ষমতায় এসেছে। ফলে নিরাপত্তা, অর্থনীতি, জ্বালানি ও সশস্ত্র গোষ্ঠী মোকাবিলায় কলম্বিয়ার নীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নতুন প্রেসিডেন্টের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে মাদক পাচার, সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা, সহিংসতা এবং অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা। দায়িত্বের প্রথম দিনেই নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়ে তিনি নতুন সরকারের অগ্রাধিকার স্পষ্ট করেছেন।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!