প্রকাশিত: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে নতুন দেশকে সদস্য করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। তবে কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ জানিয়ে আবেদন করলে তা এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে পরামর্শের পর সংশ্লিষ্ট আবেদন বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে দেশটির মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবিকে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য সদস্যপদ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। একই সঙ্গে আরও কোনো দেশ এই প্রতিরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে কি না, সেটিও জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে তাহির আন্দ্রাবি বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি মূলত একটি প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো। এর প্রধান উদ্দেশ্য শান্তি রক্ষা, পারস্পরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদার করা। পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই কাঠামো ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
পাকিস্তানের এই মুখপাত্র জানান, যেসব দেশ সম্মিলিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভিন্ন নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ, তাদের জন্য চুক্তিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।
তিনি আরও জানান, কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আবেদন করলে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পরামর্শ করা হবে। এরপর আবেদনটি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর পাকিস্তানের এই বক্তব্য নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য দেশের সম্ভাব্য আগ্রহের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
তবে চুক্তিটির বাস্তব কার্যক্রম এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। ফলে ভবিষ্যতে নতুন কোনো দেশ এতে যুক্ত হলে তার প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পারস্পরিক আলোচনা ও সম্মতির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।



