প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম
আসন্ন ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের বাজেট সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তা দিতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ড চলতি মাসের শেষ দিকে তিনটি পৃথক ঋণ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার অনুমোদন দিতে পারে বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশের সরকারি অর্থনীতি ও বৈদেশিক ব্যয়ের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এই সহায়তা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ঋণ সহায়তার একটি অংশ—প্রায় ৮০ কোটি ডলার—বরাদ্দ করা হয়েছে জরুরি অর্থনৈতিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায়। এর মাধ্যমে সংকটকালীন সময়ে দ্রুত বাজেট সমর্থন নিশ্চিত করা হবে।
আরও ৪০ কোটি ডলার দেওয়া হবে দেশের ব্যাংকিং খাত সংস্কার, আর্থিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে।
অন্যদিকে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি সার আমদানির জন্য পৃথকভাবে ৩০ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ও ঢাকা—উভয় পর্যায়েই কয়েক দফা আলোচনা ও পর্যালোচনার পর এই অর্থ সহায়তা অনুমোদনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, চলমান বৈশ্বিক উত্তেজনা ও আমদানি ব্যয়ের চাপের কারণে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শেষ দিকে জ্বালানি ও সার আমদানিতে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হতে পারে, যা প্রায় ২৬১ কোটি ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের এই সম্ভাব্য সহায়তা বাস্তবায়িত হলে দেশের বাজেট ঘাটতি মোকাবিলা, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা এবং আর্থিক খাত স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন।



