রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম

পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরন

ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের কৃষকদের জন্য নতুন একটি সেবা উদ্যোগ হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালুর প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। আসন্ন Pohela Boishakh উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman।

বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব Saleh Shibly।

তিনি জানান, কর্মসূচির অগ্রগতি তদারকির জন্য অর্থ সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি সচিব পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় কৃষিমন্ত্রী Mohammad Amin Ur Rashid, কৃষি প্রতিমন্ত্রী Sultan Salahuddin Tuku এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী Mir Shahe Alamসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রেসসচিব বলেন, ‘কৃষক কার্ড শুধু একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি দেশের কৃষকদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। ধাপে ধাপে এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন সরকারি সেবা প্রদান করা হবে।’

এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, সাশ্রয়ী মূল্যে কৃষিযন্ত্র ব্যবহার, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষি বীমা, ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ, কৃষি প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এ সুবিধা শুধু শস্য উৎপাদনকারী কৃষকদের জন্য নয়; মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি ও দুগ্ধ খামারিরাও এই কার্ডের আওতায় আসবেন বলে জানান তিনি।

প্রাথমিক পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর দেশের আট বিভাগের নয়টি নির্বাচিত উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে কার্ড বিতরণ করা হবে। নির্বাচিত উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে— Tangail Sadar, Shibganj, Panchagarh Sadar, Islampur, Shailkupa, Nesarabad, Juri, Cumilla Sadar এবং Teknaf।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন Department of Agricultural Extension কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে।

এই কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা গড়ে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা সমমূল্যের ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন। এছাড়া খরিফ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হবে।

প্রেসসচিব আরও জানান, প্রাক-পাইলট ও পাইলট পর্যায় শেষ করে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!