প্রকাশিত: জুন ২০, ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
সাতক্ষীরার তিনটি পৃথক এলাকায় একই দিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার জেলার সদর, কলারোয়া ও আশাশুনি উপজেলায় পৃথক ঘটনায় এসব মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ধুলিহর এলাকার একটি বাড়ি থেকে অমিত হাসান নামে ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা মোসলেম সরদারের ছেলে। সকালে এলাকাবাসীর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক তদন্ত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই যুবক দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনভিত্তিক জুয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এতে তিনি ঋণের বোঝায় জড়িয়ে পড়েন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। পাশাপাশি মাদক গ্রহণের অভিযোগও রয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করছে পুলিশ।
অন্যদিকে কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ এলাকায় একটি মুঠোফোন সংযোগ টাওয়ারের পাশ থেকে মেহেদী হাসান নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি পেশায় মধু ব্যবসায়ী এবং কয়লা গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পুলিশ প্রাথমিকভাবে এটিকে সন্দেহজনক মৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ছাড়া আশাশুনি উপজেলার বেউলা লম্বাডাঙ্গা খাল থেকে আব্দুর রহিম নামে ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। ভোরে নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। পরে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া তিনটি মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



