প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম
সামাজিক যোগাযোগের একটি মুঠোফোনভিত্তিক মাধ্যমে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের টানে চীন থেকে নাটোরের বড়াইগ্রামে এসেছেন এক তরুণ। বিদেশি এই অতিথির আগমনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই তাকে একনজর দেখতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, কয়েক মাস আগে বড়াইগ্রাম উপজেলার ভবানীপুর ভাটোপাড়া এলাকার শিক্ষার্থী সাদিয়া খাতুনের সঙ্গে চীনা নাগরিক সুবেশের পরিচয় হয়। নিয়মিত কথোপকথনের মাধ্যমে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বাংলাদেশে এসে বন্ধুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন সুবেশ।
প্রথমদিকে বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারেননি সাদিয়া। পরে প্রয়োজনীয় ভ্রমণসংক্রান্ত কাগজপত্র প্রস্তুত করে তিনি বাংলাদেশে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করলে সাদিয়া তার পরিবারের সদস্যদের জানান। পরিবারের সম্মতি পাওয়ার পর নির্ধারিত দিনে তিনি বাংলাদেশে পৌঁছান। এরপর পরিবারের সদস্যরা রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে তাকে নাটোরের বাড়িতে নিয়ে আসেন।
বিদেশি অতিথিকে স্বাগত জানিয়ে পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি কেবল একজন বন্ধু হিসেবে বেড়াতে এসেছেন। কয়েক দিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে নিজ দেশে ফিরে যাবেন। তার আগমনে পরিবারের সবাই আনন্দিত বলেও তারা জানান।
এদিকে চীনা নাগরিকের আগমনের খবর দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ফলে অনেকেই কৌতূহলবশত ওই বাড়িতে ভিড় করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, তাদের এলাকায় বিদেশি নাগরিকের আগমন বিরল ঘটনা হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চীনা তরুণ বন্ধুত্বের সূত্র ধরেই বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি কয়েক দিন অবস্থান করে স্থানীয় পরিবেশ ও সংস্কৃতি ঘুরে দেখবেন। এরপর নির্ধারিত সময় শেষে নিজ দেশে ফিরে যাবেন।
স্থানীয়দের মতে, ভৌগোলিক দূরত্ব ও ভিন্ন সংস্কৃতি থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগের ইতিবাচক দিকগুলোর একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে।



