প্রকাশিত: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ০৭:১০ পিএম
কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও জিপের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খুটাখালী নয়াপাড়া এলাকায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের তথ্যেও চারজন নিহত ও পাঁচজন আহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালী থেকে কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিল লাল-সবুজ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। একই সময়ে ঈদগাঁও এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে চকরিয়ার দিকে যাচ্ছিল একটি জিপ। খুটাখালী নয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দুই যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের ধাক্কায় জিপটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে জিপে থাকা কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আহতদের উদ্ধারে এগিয়ে যান।
পরে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে শাহেদ, রফিক, জিয়াবুল ও জসিম নামে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ওই এলাকায় কিছু সময় যান চলাচলে ধীরগতি তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়। কী কারণে বাস ও জিপের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অতিরিক্ত গতি, অসতর্কতা কিংবা সড়কের পরিস্থিতি—কোনটি দুর্ঘটনার পেছনে ভূমিকা রেখেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক দুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। তাই নিরাপদ গতিতে যান চালানো এবং মহাসড়কে ট্রাফিক বিধি কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।
চকরিয়ার এই দুর্ঘটনায় একসঙ্গে চারজনের প্রাণহানিতে স্থানীয়দের মধ্যে শোক নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চলছে আহাজারি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে স্থানীয়রা।



