রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কলেজ শিক্ষার্থীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার, HRDS-এর উদ্বেগ

মোতাহের উদ্দিন (চবি প্রতিনিধি)

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম

কলেজ শিক্ষার্থীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার, HRDS-এর উদ্বেগ

ফাইল ছবি

সরকার ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্যের অভিযোগে সিফাত আব্দুল্লাহ নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীকে আটক এবং পরবর্তীতে একটি পুরোনো মামলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানোর ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটি (HRDS)।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ উদ্বেগ জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে HRDS দাবি করে, কোনো বক্তব্য অশালীন বা মানহানিকর হলে প্রচলিত সাধারণ আইনে তার প্রতিকার ও আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে শুধু সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের সমালোচনার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর মতো কঠোর আইন প্রয়োগ নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করে সংগঠনটি।

HRDS আরও দাবি করে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৯ অনুচ্ছেদে ব্যক্তিস্বাধীনতা, আইনের সুরক্ষা, গ্রেপ্তার ও আটক-সংক্রান্ত সুরক্ষা এবং বাক্‌স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। সংগঠনটির মতে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট উপাদান ও প্রমাণ ছাড়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োগ এসব সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তার দেখানোর সুনির্দিষ্ট আইনগত ভিত্তি ও প্রামাণ্য দলিল জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানায় HRDS। একই সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃতি বিবেচনা করে প্রচলিত আইনে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকাকালে ওই শিক্ষার্থীর সাংবিধানিক ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত এবং বাক্‌ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমনে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন প্রয়োগ থেকে বিরত থাকার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

HRDS-এর সাধারণ সম্পাদক সিফাত উল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রের সমালোচনার জবাব দমনমূলক আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে নিশ্চিত করা উচিত।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!