রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হাজার কোটি রুপির কেলেঙ্কারির তদন্তে আলোচনায় সানি লিওন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম

হাজার কোটি রুপির কেলেঙ্কারির তদন্তে আলোচনায় সানি লিওন

ফাইল ছবি

ভারতের কর্ণাটকে আলোচিত এক বৃহৎ আর্থিক অনিয়মের তদন্তে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সানি লিওনের নাম উঠে আসায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তিনি এ মামলার অভিযুক্ত নন। নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই তাঁর কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কার্যক্রম পর্যালোচনার সময় সানি লিওনের নামে একটি অর্থ লেনদেনের তথ্য নজরে আসে। এরপর তাঁর কাছে পারিশ্রমিক গ্রহণ, চুক্তিপত্র এবং সংশ্লিষ্ট নথি উপস্থাপনের অনুরোধ জানানো হয়। তদন্তকারীরা মূলত অর্থপ্রাপ্তির উৎস এবং লেনদেনের বৈধতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চাইছেন।

অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি রুপি সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তীতে সেই অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এর মধ্যে চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যয়ও রয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে একটি চলচ্চিত্রের বিশেষ গানে অংশ নিয়েছিলেন সানি লিওন। ওই কাজের জন্য তিনি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পারিশ্রমিক গ্রহণ করেন। তদন্তকারীদের ধারণা, সেই অর্থের উৎস যাচাই করা প্রয়োজন। কারণ আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ কোনোভাবে ওই পারিশ্রমিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল কি না, সেটিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সানি লিওনের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক অভিযোগ আনা হয়নি। বরং তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন বলেই ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্তের স্বার্থে চলচ্চিত্রটির সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজন শিল্পী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হতে পারে।

বর্তমানে মামলার প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন। এদিকে সানি লিওনের নাম তদন্তে আসার পর বিষয়টি চলচ্চিত্র অঙ্গন ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। তবে তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে অভিনেত্রীকে সন্দেহভাজন নয়, বরং তথ্যদাতা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

তদন্ত শেষ হলে পুরো ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!