রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আসামের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ালেন সালমান খান

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৯, ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম

আসামের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ালেন সালমান খান

সংগৃহীত

ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান। নিজের দাতব্য প্রতিষ্ঠান এবং আসামে থাকা ভক্তদের সহযোগিতায় তিনি বন্যাকবলিত এলাকায় ধাপে ধাপে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসামগ্রী ও ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন চলচ্চিত্রের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও সালমান খান নিয়মিতভাবে ত্রাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রথম পর্যায়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে প্রস্তুত খাবারের প্যাকেট বিতরণ শুরু হয়েছে। এসব প্যাকেটে শুকনো খাবারসহ এমন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী রাখা হয়েছে, যা একটি পরিবারের কয়েক দিনের খাদ্যচাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।

খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, নারীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী এবং মশা প্রতিরোধক সামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে। আগামী ধাপে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে রেশনসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে আসামের বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বও এগিয়ে এসেছেন। অনুদান সংগ্রহ এবং ত্রাণ কার্যক্রমে জনসচেতনতা বাড়াতে বিশেষ সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে।

যদিও বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবুও সংকট পুরোপুরি কাটেনি। এখনো কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। শত শত গ্রাম প্লাবিত রয়েছে এবং বহু পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি, বসতঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবাদিপশুর ক্ষয়ক্ষতিও স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের এমন মানবিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য বড় স্বস্তি হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের আশা, দ্রুত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার হলে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!