প্রকাশিত: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১১:৪৯ এএম
অভিনয়শিল্পীর কাজ পর্দায় নির্ধারিত চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফুটিয়ে তোলা। কিন্তু সেই চরিত্রকে কেন্দ্র করে কোনো শিল্পী যখন ব্যক্তিজীবনে হয়রানি কিংবা অশালীন প্রস্তাবের মুখোমুখি হন, তখন তা নিঃসন্দেহে বিব্রতকর ও কষ্টদায়ক। এমনই এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ভারতীয় অভিনেত্রী অনংশা বিশ্বাস।
ওয়েব ধারাবাহিক ‘মির্জাপুর’-এ জরিনা চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান অনংশা। ধারাবাহিকটির প্রথম পর্ব প্রকাশের পর তার অভিনীত চরিত্র নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। চরিত্রটির উপস্থাপনায় আবেদনময়তার বিষয়টি থাকলেও সেটি ছিল পুরোপুরি অভিনয়ের অংশ।
অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সমস্যা শুরু হয় যখন কিছু দর্শক পর্দার চরিত্র এবং তার ব্যক্তিজীবনের মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যর্থ হন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বৈদ্যুতিন ডাকযোগে তার কাছে আসতে থাকে অশালীন মন্তব্য ও নানা ধরনের কুপ্রস্তাব।
কেউ কেউ তাকে ব্যক্তিগত ভ্রমণের প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি অর্থের বিনিময়ে একান্ত সময় কাটানোর কথাও বলেছেন। এমন আচরণে তিনি মানসিকভাবে ভীষণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন বলে জানান।
অনংশা স্পষ্ট করে বলেন, কোনো অভিনেত্রী পর্দায় সাহসী বা আবেদনময়ী চরিত্রে অভিনয় করলেই তার ব্যক্তিজীবন সম্পর্কে একই ধরনের ধারণা করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। একজন শিল্পীর অভিনীত চরিত্র এবং তার বাস্তব জীবনকে আলাদা করে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। পর্দার কোনো দৃশ্য কখনোই একজন নারীর ব্যক্তিগত পছন্দ, মূল্যবোধ বা সম্মতি প্রকাশ করে না।
এদিকে অনংশার পরিচিতি পাওয়া ‘মির্জাপুর’ এবার বড় পর্দায় আসছে চলচ্চিত্র হিসেবে। জনপ্রিয় ধারাবাহিকটির কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত এই চলচ্চিত্র নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ইতোমধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এতে মূল ধারাবাহিকের কয়েকজন পরিচিত অভিনয়শিল্পীকে পুরোনো চরিত্রে দেখা যাবে। কাহিনি প্রথম পর্বের পরবর্তী সময়কে কেন্দ্র করে এগিয়ে যাবে বলে জানা গেছে।



