রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চীনে শক্তিশালী টাইফুনের ভয়ে, ঘরছাড়া ৬ লাখ মানুষ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৮:৪২ পিএম

চীনে শক্তিশালী টাইফুনের ভয়ে, ঘরছাড়া ৬ লাখ মানুষ

প্রতীকী ছবি

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বাভি’র প্রভাবে চীনের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকাগুলোতে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঝড়টি দ্রুতগতিতে স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হওয়ায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইতোমধ্যে ৬ লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত চচিয়াং প্রদেশ থেকে সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফুজিয়ান প্রদেশ থেকেও এক লাখের বেশি বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রমের সময় প্রবল বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়ার সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে জনবহুল শহর ও আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা, ভূমিধস এবং অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণে সাধারণ মানুষকে ঘরের বাইরে অপ্রয়োজনীয় চলাচল থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব মোকাবিলায় শত শত বিমান চলাচল বাতিল করা হয়েছে। অনেক রেলপথে যাত্রী পরিবহন সীমিত করা হয়েছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও নৌযান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য হাজার হাজার উদ্ধারকর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দারা আগাম খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুত করতে শুরু করেছেন। স্থানীয় প্রশাসনও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি আরেকটি শক্তিশালী ঝড়ের আঘাতে চীনের কয়েকটি অঞ্চল ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। সেই ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন এই ঘূর্ণিঝড় দেশটির জন্য আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে। ফলে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!