প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
অধিকৃত পশ্চিমতীরের একটি গ্রামে সংঘর্ষের জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক সংঘর্ষের ঘটনায় দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। এরপর পুরো পশ্চিমতীরজুড়ে নিরাপত্তা অভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ সময় বহু ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় পশ্চিমতীরের একটি গ্রামে সহিংস সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে। স্থানীয়দের দাবি, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের গুলিতে কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে এক ফিলিস্তিনি একজন ইসরায়েলির অস্ত্র নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গুলি চালান। এতে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ঘটনার পরপরই পশ্চিমতীরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে অন্তত ৭০ জনের বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি আরও অনেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি, অভিযান এবং নিরাপত্তা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তারা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত। তবে এসব দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে ফিলিস্তিনি পক্ষের অভিযোগ, চলমান অভিযানের সময় সাধারণ মানুষের বাড়িঘরে তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং অনেক নিরীহ বাসিন্দাকেও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই ঘটনা পশ্চিমতীরের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি সহিংসতার কারণে অঞ্চলটিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংযম প্রদর্শন এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করছেন তারা।



