রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ শতাংশ শুল্কের মুখে রাশিয়া-ভারত-চীনসহ ৫ দেশ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৮, ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ শতাংশ শুল্কের মুখে রাশিয়া-ভারত-চীনসহ ৫ দেশ

সংগৃহীত

রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য কেনা দেশগুলোর ওপর কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার পথ তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে প্রস্তাবিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল মার্কিন পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে বিপুল ভোটে অনুমোদিত হয়েছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে ভারত ও চীনসহ অন্তত পাঁচটি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ তৈরি হবে।

‘রাশিয়া ও ইরান আইন ২০২৬’ নামে প্রস্তাবিত এই আইনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও যেসব দেশ রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি কিনে মস্কোর রাজস্ব বাড়াতে সহায়তা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এর অংশ হিসেবে এসব দেশের পণ্যের ওপর বড় ধরনের অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

উচ্চকক্ষে বিলটির পক্ষে ৮৬ জন সদস্য ভোট দিয়েছেন। বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১১টি এবং তিনজন ভোটদানে বিরত ছিলেন। ফলে প্রয়োজনীয় সমর্থন পাওয়ার পর বিলটি এখন নিম্নকক্ষে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নিম্নকক্ষে অনুমোদন পাওয়ার পর বিলটি প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করলে এটি আইনে পরিণত হবে এবং তখন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর প্রস্তাবিত শুল্ক ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার সুযোগ তৈরি হবে।

বিলটি কার্যকর হলে ভারত ও চীনের পাশাপাশি আজারবাইজান, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়াও বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এসব দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় রাশিয়ার ওপর উল্লেখযোগ্য নির্ভরতা রয়েছে।

শুধু রুশ জ্বালানি ক্রেতাদের বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপ নয়, প্রস্তাবিত আইনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, দেশটির প্রভাবশালী ধনকুবের এবং সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও নতুন নিষেধাজ্ঞার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে।

মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একাংশের বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্যের মাধ্যমে যারা ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থায়নে সহায়তা করছে, তাদের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতেই এই উদ্যোগ। তবে বিলটি শেষ পর্যন্ত আইনে পরিণত হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে বলে

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!