রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংঘাত বাড়লে ইসরায়েলের অস্তিত্ব হুমকিতে পরবে: রুশ জেনারেল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম

সংঘাত বাড়লে ইসরায়েলের অস্তিত্ব হুমকিতে পরবে: রুশ জেনারেল

ফাইল ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত ও তীব্র হলে ইসরায়েল রাষ্ট্র হিসেবে অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আপতি আলাউদিনভ। বুধবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন আশঙ্কার কথা জানান। তবে এটি তার ব্যক্তিগত মূল্যায়ন; রাশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এমন কোনো আনুষ্ঠানিক পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি।

আলাউদিনভ রুশ সশস্ত্র বাহিনীর সামরিক-রাজনৈতিক বিভাগের উপপ্রধান এবং আখমাত বিশেষ বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাত আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যুদ্ধের মাত্রা এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটের সরাসরি সম্পৃক্ততার পরিস্থিতি তৈরি হয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

রুশ এই সামরিক কর্মকর্তা দাবি করেন, ইসরায়েল সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার মতো পরিস্থিতি তৈরিতে সক্ষম হলেও দেশটি নিজেদের সামরিক শক্তিকে অতিরিক্ত মূল্যায়ন করতে পারে। তার মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত ও বিস্তৃত হলে এর পরিণতি ইসরায়েলের জন্য অত্যন্ত গুরুতর হতে পারে। এমনকি রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকার বিষয়টিও তখন প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

তবে আলাউদিনভের বক্তব্যকে কোনো নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তিনি নিজের বিশ্লেষণ ও আশঙ্কার ভিত্তিতেই মন্তব্য করেছেন। ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাওয়ার বিষয়ে রাশিয়া কিংবা কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো পূর্বাভাস দেয়নি।

সাক্ষাৎকারে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের ধারাবাহিকতার কথাও উঠে আসে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান, পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ এবং পরে আবার উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনাগুলো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

আলাউদিনভের ধারণা, এসব ঘটনার পরও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং ভবিষ্যতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তার দাবি, ইসরায়েল এ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ানোর জন্য আরও পদক্ষেপ নিতে পারে।

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের বিস্তার হলে শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলো নয়, বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যেও সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়বে। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!