রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সৌদির তেল শোধনাগারে হুতিদের ড্রোন হামলা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১০:৪১ পিএম

সৌদির তেল শোধনাগারে হুতিদের ড্রোন হামলা

সংগৃহীত

সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিজান এলাকায় রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে দুটি ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) হামলার এ দাবি সামনে আসে। তবে হামলায় শোধনাগারটির কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে কিংবা কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

হুতিদের দাবি অনুযায়ী, দুটি ড্রোন ব্যবহার করে জিজান অঞ্চলের ওই স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, ইয়েমেনের সাদা ও হাজ্জাহ অঞ্চলের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা এ হামলা চালিয়েছে।

জিজান সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং ইয়েমেন সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে সৌদি-ইয়েমেন সংঘাতের উত্তেজনাপূর্ণ এলাকাগুলোর একটি। গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোও সেখানে রয়েছে। ফলে আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে যেকোনো হামলার দাবি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

হুতিরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের বিভিন্ন সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার দাবি করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়েও জিজান অঞ্চলের তেল অবকাঠামোকে ঘিরে হামলার দাবি সামনে এসেছে। তবে প্রতিটি হামলার ক্ষেত্রে দাবি ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সবসময় সম্ভব হয়নি।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল প্রতিষ্ঠান আরামকো দেশটির অর্থনীতি ও জ্বালানি ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর কোনো স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হলে শুধু স্থানীয় পর্যায়েই নয়, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি যখন অস্থির, তখন তেল অবকাঠামোকে ঘিরে নতুন করে হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।

এদিকে হামলার পর সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না আসায় প্রকৃতপক্ষে শোধনাগারে হামলা হয়েছে কি না এবং হয়ে থাকলে এর মাত্রা কতটা—তা এখনো স্পষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী বক্তব্যের ওপরই বিষয়টির পূর্ণ চিত্র নির্ভর করছে।

হুতিদের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে হামলার দাবি ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যের অপেক্ষা করা প্রয়োজন।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Link copied!