প্রকাশিত: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
বাজারে প্রায় দেড় মাস ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকট চলছে। রাজধানীর বিভিন্ন দোকান ও বাজারে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এতে ভোক্তারা বাধ্য হচ্ছেন খোলা তেলের দিকে ঝুঁকতে, যার দামও ক্রমেই বাড়ছে।
ঈদের আগেই বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের কেজি ২০০ টাকার বেশি ছিল। ঈদের পর সেই দাম আরও বেড়ে এখন বিভিন্ন এলাকায় ২১০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। অন্যদিকে বোতলজাত তেল লিটারপ্রতি ১৯৫ টাকায় বিক্রি হলেও অনেক দোকানে তা পাওয়া যাচ্ছে না।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, অনেক দোকানে ছোট বোতলের সয়াবিন তেল একেবারেই নেই। বড় আকারের বোতলও সীমিত পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। কিছু সুপারশপে তেল থাকলেও একজন ক্রেতাকে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি বোতল দেওয়া হচ্ছে না।
ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহন খরচ ও মিলগেট পর্যায়ে তেলের দাম বেড়েছে। এসব কারণেই পাইকারি ও খুচরা বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় খোলা সয়াবিন তেল কেজিপ্রতি ২০৫ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইসঙ্গে পাম তেলের দামও বেড়ে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকার মধ্যে উঠেছে।
সরকারি একটি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছে। আর গত বছরের তুলনায় এ বৃদ্ধি আরও বেশি।
তেল কোম্পানিগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে দাম সমন্বয়ের জন্য অনুরোধ জানালেও এখনো তা কার্যকর হয়নি। ফলে ডিলার পর্যায়ে কিছু জায়গায় দাম বাড়লেও খুচরা বাজারে ভোক্তাদের ওপর চাপ বাড়ছে।
এ অবস্থায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন। প্রয়োজন অনুযায়ী বোতলজাত তেল না পেয়ে অনেকেই বাধ্য হচ্ছেন খোলা তেল কিনতে, যেখানে দামও ক্রমাগত বাড়ছে।



