প্রকাশিত: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাটে বড় অঙ্কের নোট লেনদেনকে ঘিরে জালনোটের ঝুঁকি বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার পাশাপাশি লেনদেনের সময় নোট ভালোভাবে যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতি বছর ঈদুল আজহার সময় পশু কেনাবেচায় নগদ টাকার ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। এই সুযোগে অসাধু চক্র জালনোট ছড়িয়ে দিতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাই বড় অঙ্কের টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, লেনদেনের সময় বিশেষ করে একশ, দুইশ, পাঁচশ ও এক হাজার টাকার নোট ভালোভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। নোটের জলছাপ, নিরাপত্তা সুতা, রং পরিবর্তনশীল কালি এবং উঁচু ছাপার বৈশিষ্ট্য খেয়াল করলে আসল ও নকল নোট আলাদা করা সহজ হয়।
কোনো নোট নিয়ে সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে হাটে স্থাপিত ব্যাংকের অস্থায়ী বুথ কিংবা নিকটবর্তী বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে করে প্রতারণার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।
এছাড়া অপরিচিত বা সন্দেহজনক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা লেনদেন না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্ভব হলে ব্যাংক বা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সচেতনতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, জালনোট প্রতিরোধে জনসচেতনতা সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলেও জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সময়টিতে সতর্কতা অবলম্বন করা হলে জালনোটের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষ প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবে।



