প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
দেশে জুন মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমেছে। বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের দাম কমার কারণে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিতে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যচাপ এখনো তুলনামূলক বেশি থাকায় সাধারণ মানুষের ওপর অর্থনৈতিক চাপ পুরোপুরি কমেনি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে। এর আগে মে মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে।
তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৬ শতাংশ, যা জুনে কমে ৮ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে এসেছে। খাদ্যপণ্যের দাম কমার এই প্রবণতা সাধারণ ভোক্তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির কারণ হয়েছে।
অন্যদিকে খাদ্য ছাড়া অন্যান্য পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির হার খুব বেশি কমেনি। মে মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ, যা জুনে সামান্য কমে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ হয়েছে। এতে বোঝা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের বাইরে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দামে এখনো চাপ রয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি কমার ক্ষেত্রে খাদ্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে দীর্ঘমেয়াদে মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর মূল্যস্ফীতির সরাসরি প্রভাব পড়ে। তাই সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমলেও বাজারে স্থায়ী স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



