রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মৃত্যুর আগে ইকরার পরিকল্পনা ঘিরে রহস্য, বাড়ছে প্রশ্ন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২৬, ১০:৩০ এএম

মৃত্যুর আগে ইকরার পরিকল্পনা ঘিরে রহস্য, বাড়ছে প্রশ্ন

ফাইল ছবি

স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় অভিনেতা যাহের আলভীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর বৃহস্পতিবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় শোবিজ অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি বাসায় ইকরা মারা যান। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে ধারণা করা হলেও পরবর্তীতে তার পরিবার ও ঘনিষ্ঠরা বিষয়টি নিয়ে গভীর তদন্তের দাবি জানান। তাদের মতে, মৃত্যুর পেছনে আরও কারণ থাকতে পারে যা খতিয়ে দেখা জরুরি।

ইকরার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের দাবি, মৃত্যুর আগের দিন ও একই দিনের সকালেও তিনি নিয়মিত যোগাযোগে ছিলেন। একটি ব্যক্তিগত অনলাইন আলোচনাচক্রে তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলছিলেন। সেদিন সকালেও তিনি বিভিন্ন বিষয়ে বার্তা আদান-প্রদান করেন বলে জানা গেছে।

বন্ধুদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে ইকরা একটি ভ্রমণ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। যদিও তারা বিষয়টিকে সাময়িক মানসিক অস্থিরতা বা আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্ত হিসেবে ভেবেছিলেন। ওই দিন সন্ধ্যায় পারিবারিক আয়োজনেও তার উপস্থিত থাকার কথা ছিল বলে জানা যায়।

ঘনিষ্ঠদের দাবি, ইকরা কখনোই সহজে ভেঙে পড়ার মানুষ ছিলেন না। বরং তিনি নিজের ভবিষ্যৎ, সন্তান এবং কর্মজীবন নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করছিলেন। বিশেষ করে সন্তানের দায়িত্ব ও ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে তিনি গভীরভাবে চিন্তা করতেন বলে জানিয়েছেন তারা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, মানসিক চাপ এবং স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতার মধ্যে ছিলেন। সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। মৃত্যুর আগের শেষ মুহূর্তের কথোপকথন ও পরিকল্পনা নিয়ে তৈরি হওয়া অস্পষ্টতা এখন নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘনিষ্ঠদের একাংশ মনে করছেন, বিষয়টি শুধুমাত্র আত্মহত্যা হিসেবে দেখার আগে আরও গভীর তদন্ত প্রয়োজন।

বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতির ওপরই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করছে।

 

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!