প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম
দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী দুই দশকের জন্য একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, পর্যটন খাতের উন্নয়নে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে একটি সুসংগঠিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পর্যটন গাইডদের প্রশিক্ষণ প্রদান, দেশীয় খাবারভিত্তিক পর্যটনের বিস্তার, স্থানীয় জনগোষ্ঠীভিত্তিক ও জলভিত্তিক পর্যটনের উন্নয়ন এবং গ্রামীণ পর্যটনের প্রসার—এই পাঁচটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকদের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মহাপরিকল্পনার খসড়া প্রস্তুত হয়েছে, যেখানে আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন, পর্যটন অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন, ঐতিহ্য সংরক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উপকূলীয় এলাকায় পর্যটন সম্প্রসারণের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার বিষয়ও পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে। বর্তমানে দেশের ৩০টির বেশি জেলায় পর্যটনের সম্ভাবনাময় স্থান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলা হবে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নারী শিক্ষার প্রসারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যাতে নারী শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত হয়।



