প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০১:৫৮ পিএম
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বেসরকারি কলেজ সরকারীকরণের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি যাচাই-বাছাই করে এবং প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে জাতীয়করণ করা হয়।
তিনি আরও জানান, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাকরি জাতীয়করণ একটি দীর্ঘমেয়াদি ও নীতিনির্ধারণী বিষয়। এটি কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে সম্ভব নয়; বরং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, বিদ্যমান নীতিমালা এবং জাতীয় বাজেটের সঙ্গে বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ৩৪ হাজার ১২৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষক এবং ২ লাখ ৬ হাজার ৬৯৯ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, স্কুলের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫৭৮টি, যেখানে শিক্ষক ২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৮ জন এবং কর্মচারী ৯৬ হাজার ৮৯২ জন। স্কুল ও কলেজ মিলিয়ে প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১ হাজার ৪৯৩টি, যেখানে শিক্ষক ৫৯ হাজার ৭৯৭ জন ও কর্মচারী ২০ হাজার ৭৮২ জন।
এছাড়া কলেজ রয়েছে ২ হাজার ৭৩৮টি, মাদরাসা ৯ হাজার ২৯৩টি এবং কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২ হাজার ২৭টি।
শিক্ষামন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে পর্যায়ক্রমে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হবে।



